বৃহস্পতিবার রাতে বড় বোন মিন্নীর সাবেক স্বামী একই গ্রামের কনুর উদ্দিনের ছেলে জামিরুল তিন্নীদের বাড়িতে দু’দফা প্রবেশ করে হামলা ভাঙচুর ও তিন্নীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। এরপর রাত ১২টার দিকে শোবার ঘরের সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় তিন্নীর নিথর দেহ উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা।
পরিবারের দাবি, তিন্নী ধর্ষণের শিকার হয়ে লজ্জা ক্ষোভে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন।
শৈলকুপা থানার ওসি (তদন্ত) মহসিন হোসেন জানান, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পড়ালেখা শেষ করা মেধাবী ছাত্রী তিন্নীর মৃত্যুতে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাত ৫-৬ জনের নামে শৈলকুপা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। তিন্নীর মা হালিমা বেগম বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেছেন। পরে তারা অভিযান চালিয়ে শেখপাড়া গ্রামের কনুর উদ্দিনের ছেলে আমিরুল, খলিল শেখের ছেলে নাইম ও লাবিবসহ ৪ জনকে আটক করেছেন।
তবে মামলার প্রধান আসামি জামিরুল এখনও পলাতক রয়েছে বলেও জানান তিনি।


