এরই ধারাবাহিতকতায় (৪-সেপ্টেম্বর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এর অধীনস্থ ছাগলখাইয়া সিআইও ক্যাম্প এলাকায় অত্র ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল শাহ আবদুল আজীজ আহমেদ এর নেতৃত্বে সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জামাল হোছাইনসহ ব্যাটালিয়ন সদর হতে ১-টি বি টাইপ টহল ১১টায় বিশেষ অপারেশন পরিচালনার উদ্দেশ্যে গমন করে।
উক্ত টহল দল আনুমানিক সাড়ে ২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌছায় যা ছাগলখাইয়া সিআইও ক্যাম্প হতে আনুমানিক ০৬ কিঃ মিঃ পূর্ব দিকে দোছড়ি ইউনিয়নের ভাগ্নেরঝিড়ি নামক স্থানে (বর্গ ৩২৮১, মানচিত্র ৮৪সি/২) গহীন জঙ্গলে।
উক্ত স্থানে কিছু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রস্তুতি গ্রহণকালে বিজিবি টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে উক্ত স্থান হতে পলায়ন করতে থাকে।
এসময় বিজিবি টহল দল ধাওয়া করলে তাদের কর্তৃক ব্যবহৃত ৪-টি SBBL ও ১-টি দেশীয় অস্ত্র (একনলা বন্দুক), ০২টি অস্ত্র তৈরীর ব্যারেল, ০১টি কার্তুজ এবং ০৫টি কার্তুজের খালি খোসা মালিকবিহীন পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও কার্তুজ নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এ প্রেক্ষিতে লেঃ কর্নেল শাহ আবদুল আজীজ অহমেদ, অধিনায়ক, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এবং জোন কমান্ডার, নাইক্ষ্যংছড়ি জোন বলেন, সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে অস্ত্র পাচার, অবৈধ কাঠ পাচার ও পরিবহন, অন্যান্য যে কোন ধরনের অবৈধ পণ্য সামগ্রী পাচার এবং এই এলাকায় যে কোন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে বিজিবির এ ধরনের কার্যক্রম ও তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।


