স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিসকাতুর রহমান রাজিব এর মা রিজিয়া খাতুন (৫৫) সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন।
সূত্রে জানাগেছে, রাজিব'র মা হৃদরোগে আক্রান্ত অবস্থায় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়। রাজীবের মায়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে কর্তব্যরত ডাক্তার রাজিব'র মাকে নিয়ে অন্যত্র ভালো চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু রাজিবের পারিবারিক অবস্থা নিম্নবিত্ত থাকায় রাজিব ও তার পরিবার তার মাকে নিয়ে অন্যত্র হাসপাতালে নিতে পারে নাই। এবং অবশেষে আজ ২৮ আগস্ট রাত ১:৩০ মিনিটে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
এ বিষয়ে কর্তব্যরত ডাক্তার মর্তুজা বলেন যে, আমরা ভর্তি কালীন সময়ে রোগীর লোককে অবহিত করেছিলাম যে রোগীর অবস্থা খুব বেশি ভালো না, রোগীর হার্টের সমস্যা অতিরিক্ত হওয়ায় দ্রুত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তার কে দেখাতে পরামর্শ দেন। কিন্তু রোগীর পারিবারিক ও আর্থিক অবস্থা সচ্ছল থাকায় তারা বাহিরে নিতে পারেনি। রোগী চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় মারা গেছে। রোগীকে বাঁচতে আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি।
রাজীবের মায়ের মৃত্যুর পরবর্তীতে রাজিব নিজে তার ফেসবুক ওয়ালে একটি মর্মান্তিক কষ্টদায়ক পোস্ট করেন পোস্টটি রাজীবের ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত:
আমি জীবননগর পৌর ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজিব, জীবনে কখনো কোন অন্যায় কাজ করেনি, ছাত্রলীগের পদ ব্যবহার করে কখনো লক্ষ লক্ষ টাকাও ইনকাম করিনি, টাকার অভাবে এইমাত্র আমার মা মারা গেল, কার কাছে বলব?
কে শুনবে আমার কথা?
কোথায় আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা?
একটা চাকরির জন্য ২ বছর নেতাদের পেছনে ঘুরছি কেউ আমাকে একটা দারোয়ানের চাকরি ও দেয়নি, আমার মা মারা যায়নি, আমার মাকে হত্যা করা হয়েছে।
আরে হত্যা করেছে রাজনৈতিক ব্যবহারকারী কিছু সুবিধাবাদী।
আমার এই কুতি কি নেত্রীর কাছে পৌঁছাবে?
জবাব চাই, আমার জবাব চাই...



