জাহিদুল ইসলাম মামুন: " এসো বন্ধু খেলা করি,মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি " এই শ্লোগানকে সামনে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের নিশ্চিন্তপুর ক্রীড়া সংস্থা র উদ্যোগে ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩ টায় নিশ্চিন্তপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ফাইনাল ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়। উক্ত খেলায় সরাসরি ফুটবল যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন নিশ্চিন্তপুর মোহামেডান স্পোর্টিংক্লাব বনাম নিশ্চিন্তপুর সবুজ সংঘ একাদশ। তীব্র প্রতিদ্বন্দিতা পূর্ণ ফাইনাল খেলায় নির্ধারিত সময়ে হাড্ডা - হাড্ডি লড়াইয়ে মধ্যে দিয়ে গোল শূন্য ভাবে প্রথমার্ধ শেষ হয়। দ্বিতীয়াার্ধ শুরুর প্রথম থেকেই দুটি দল একের পর এক আক্রমন আর পাল্টা আক্রমনে খেলাটি টানটান উত্তেজনায় রুপ নেয়।
খেলার শেষ সময়ে এসে ৫৫ মিনিটের মাথায় নিশ্চিন্তপুর মোহামেডান স্পোর্টিংক্লাবের পক্ষে একমাত্র জয় সূচক গোলটি করেন ৭ নং জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় রাজন।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিন্তপুর সবুজ সংঘ ফুটবল একাদশ কে ১-০ গোলে পরাজিত করে নিশ্চিন্তপুর মোহামেডান স্পোর্টিংক্লাব চ্যাম্পিয়ন হয়। চ্যাম্পিয়ন দলের দলপতি ছিলেন আনোয়ার হোসেন ও পরাজিত দলের দলপতি ছিলেন হাফিজুর রহমান।
উক্ত খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারী আব্দুস সালাম। সহকারী রেফারী কুরমান হোসেন ও বাপ্পী। চ্যাম্পিয়ন দলের টিম ম্যানেজার ছিলেন সাহাজুল হোসেন ও পরাজিত দলের টিম ম্যানেজমেন্ট জসীম মালিতা। উক্ত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন ট্রপি ও রানার্সআপ ট্রপি পৃথক-পৃথক ভাবে তুলেদেন জীবননগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জীবননগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জীবননগর পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মোহাঃ আব্দুল লতিফ অমল, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার, সাধারণ সাধারণ শেখ মহিদুল ইসলাম মধু জিহাদী, আন্দুলবাড়ীয়া ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মির্জা হাকিবুর রহমান লিটন,মোল্লা ফখরুল হাসান টুটুল, নাজের আলী, শেখ সামাদুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাজুল হোসেন, সষ্টি হালদার, মমিন, হাবু, শফি,মফুর, আমিন, নিশ্চিন্তপুর ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ফুলচান।
ফুল চষান নিয়মিত ধারাভাষ্যকার হাসানুজ্জামান হাসান সহ আরে অনেকে। উক্ত খেলাটি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে উপভোগ করেন হাজার - হাজার ফুটবল প্রেমী খেলোয়ার ও সমর্থক বৃন্দ। খেলার মাঠের চারপাশ কানায় - কানায় পরিপূর্ণ ও উপচে পড়া ভীড় ছিলো লক্ষণীয়।



