লেখিকা: ফারজানা আহসান জয়া
হে মহান নেতা, হে জাতির পিতা! জন্ম শত বার্ষিকীতে জানাই তোমায় বিনম্র শ্রদ্ধা।

জন্মেছো তুমি বাংলার আকাশে বাংলাদেশ হয়েছে ধন্য,
৭ই মার্চের ভাষনে তুমি নিজেকে করেছ কদমে-কদমে পূর্ণ।

এক আকাশ রবির আলো নিয়ে জন্মেছ যেদিন মানব কূলে,
বসুন্ধরায় সেদিন গাইছিল আকাশ, গাইছিল বাতাস মহা কালের মহা পুরুষ।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বসুন্ধরায় আসলে আলোর দিশারি হয়ে।
একশত নয় হাজার শত জন্ম বার্ষিকীতে তুমি রবে উদীয়মান উদয় বীরের প্রদীপ্ত শিখা হয়ে।

তেজোদৃপ্ত তর্জনী তোলা ৭ই মার্চের ভাষণ,
বিশ্বের কাছে বিস্ময়ের সৃষ্টি করে গেছ তোমার আসন।
তাই তো বিশ্বের বুকে আজ এটা স্বীকৃত হয়েছে সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ।

হে মহান নেতা,
হে জাতির পিতা!
জন্ম শত বার্ষিকীতে জানাই তোমায় বিনম্র শ্রদ্ধা।।
মহা কালের মহা নায়ক তুমি, মহা কালের মহা কবি।
মহা কালের মহা মানব তুমি
দুঃখী মানুষের শান্তির ছবি।

তর্জনী তোলা ভাষনের ধ্বনি টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া;
হাজার হাজার মাইল জুড়িয়া কোটি কোটি বাঙালির প্রানে
জাগিয়েছে যুদ্ধ জয়ের শিহরণ!

মূহুর্তেই স্বাধীনতাকামী লাখো জনতা নেমে এলো হয়ে বিপ্লবী আবরণ।
যুগে যুগে যুগান্তরে তোমার বজ্রবাণী এগিয়ে নিয়ে যাবে অন্যায়ের প্রতিবাদে,
বিজয়ের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দ্বাসত্বের শিকল ভেঙে মুক্তির সংগ্রামে;
উজ্জ্বল তুমি প্রজ্জ্বল তুমি রবে প্রজ্জ্বলিত অন্তরে
তুমি পদ্মা,
তুমি মেঘনা,
তুমি যমুনা, গৌরী বহমান।

বাংলাদেশ তোমায় আজীবন স্মরিবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
হে মহান নেতা, হে জাতির পিতা! তুমি জাগ্রত তুমি অরুন প্রাতের তরুন নাবিক হয়ে রবে বিশ্বের অখণ্ড মানচিত্রে।
তুমি বিশ্বের মুজিব তুমি চিরঞ্জীব অমর তোমার মৃত্যু নেই।
তুমি চিরঞ্জীব , চিরঞ্জীব, চিরঞ্জীব।