অর্পণ রকি/আতিকুজ্জামান চঞ্চল: চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টিকিট কিনতে ২০টাকা দিলে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়া হয় না। উল্লেখ থাকে যে, জীবননগর হাসপাতালে টিকিটের মূল্য ৫ টাকা হওয়ায় ২০ টাকা দিলে বাকি ১৫ টাকা ফেরত দেয়া হয় না। ঠিক এমনি একটি অভিযোগ করেছেন ইব্রাহিম সহ আরো কয়একজন। এইবার নিয়ে, মোট তিন তিনবার তার সাথে এই ঘটনা ঘটেছে বলছে তিনি।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে ডাঃ জুলিয়েট পারউনের সাথে মেহেদির কথা হলে মেহেদী বলেন: ভাংটি টাকা না থাকার কারণে আমি টাকাটা দিতে পারিনি, আমি ওনাকে বলেছিলাম ডাক্তার দেখিয়ে আসার পর তাকে টাকা নিতে, পরে তিনি টাকা নিয়ে যায়। এদিকে আভিযোগকারি বলেন আামার সাথে এ নিয়ে ৩বার একিই ঘটনা ঘটেছে, আমি আজ তাকে ২০ টাকা দিয়েছি কিন্তু তিনি আমার টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো গালিগালাজ করে। আমি তার কাছে কাছে ১৫ টাকা পাব।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জুলিয়েট পারউন স্নিগ্ধা বলেন, ঘটনাটি খুবি দুক্ষজনক। আগামি দিন থেকে আমরা আগের থেকে বেশি ভাংটি টাকার ব্যাবস্থা করবো। যাতে করে আর কারোকাছথেকে বেশি টাকা রাখতে না হয়।
তবে এর আগে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নামে পত্র-পত্রিকায় বিভিন্ন ধরনের সমস্যার কথা উঠে এসেছে, তাই সাধারন মানুষের প্রশ্ন : হাসপাতাল একটি সরকারি সেবা দান কারি প্রতিষ্টান, নিরুপায় হয়ে সবাই এখানে সেবা নিতে আসেন, তারাও মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছে, তাহলে কেন এই ধরনের অভিযোগ উঠেছে?? এ সমস্ত অভিযোগ বর্জন করে সুন্দর একটি চিকিৎসার পরিবেশ সৃষ্টিই জীবননগর বাসির কামনা।


