আলমডাঙ্গা প্রতিনিধি: আলমডাঙ্গার প্রাগপুর গ্রামের স্ত্রী হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই গৃহবধূর স্বামী আশাদুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশ তাকে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
জানা গেছে,আলমডাঙ্গার গ্রাগপুর গ্রামের রুপচাঁদ মন্ডলের ছেলে আশাদুল ইসলামের ঘর থেকে গত এক সপ্তাহ আগে বৃহস্পতিবার সকালে স্ত্রী রুপালি খাতুনের লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনার পর থেকেই আশাদুল পলাতক ছিল। রুপালি খাতুনের পিতা ঘটনায় তার জামাই জড়িত বলে অভিযোগ তোলেন। দায়ের করা হয় মামলা। মামলার আসামীকে ধরতে পুলিশ তৎপরতা শুরু করে। এরই এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশাদুলকে গ্রেফতার করে। গতকাল শুক্রবার তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত,আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রাগপুর গ্রামের আশাদুল ইসলাম গত ১৬ বছর আগে কুস্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ গ্রামের রবিউল ইসলামের কন্যা রূপালী খাতুনকে বিয়ে করে। দাম্পত্য জীবনে তাদের তিন ছেলে সন্তান আছে। সাংসারিক জীবনে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ সংঘাত ছিল। এরই মাঝে গত ১৩ আগস্ট সকালে ওই গৃহবধুর ছেলে দেখতে পাই তার মা রুপালি খাতুনের দেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে রয়েছে। তার চিৎকারে পাড়া প্রতিবেশিরা ছুটে এসে দেখেন তার মায়ের লাশ পড়ে রয়েছে। তবে তার পিতা আশাদুল সে সময় বাড়িতে ছিলনা। দুপুর গড়িয়ে গেলেও আশাদুলকে কোথাও দেখা যায়নি। সংবাদ পেয়ে রূপালীর পিতা রবিউল ইসলাম ছুটে আসেন মেয়ের বাড়ি প্রাগপুর গ্রামে। রবিউল ইসলামের দাবী তার কন্যাকে পরিকল্পিত ভাবে আশাদুল হত্যা করেছে । তাকে আটক করলেই হত্যা রহস্য বেরিয়ে আসবে।
থানা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে লাশের গলায় দাগ ছিল । ময়না তদন্ত রিপোর্ট আসলে সব জানা যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছিল।


